Foto

‘আমাকে গাইতে হবে, বেঁচে থাকতে হবে গানের মাধ্যমেই’


কণ্ঠশিল্পী মাঈনুল আহসান নোবেল। ভারতীয় জি বাংলা চ্যানেলের সারেগামাপা রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গীতপ্রেমীদের মাঝে সাড়া জাগিয়েছেন তিনি। এই শিল্পী জীবনের নানা প্রসঙ্গ নিয়ে কথা হয় তার সঙ্গে


Hostens.com - A home for your website

’সারেগামাপা’ সঙ্গীত প্রতিযোগিতার সুবাদে স্বল্প সময়ে দেশে ও বিদেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। কেমন উপভোগ

আমাকে গাইতে হবে, বেঁচে থাকতে হবে গানের মাধ্যমে। এ জন্য সবার সামনে তুলে ধরতে হবে নিজের সেরা গায়কি, তাই গান গাওয়া ছাড়া আলাদা করে কিছু ভাবি না।

করছেন এই জনপ্রিয়তা?

গানের সুবাদে এত মানুষের ভালোবাসা পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। এই প্রাপ্তি বা অনুভূতির কথা কাউকে বলে বোঝাতে পারব না। নাচ, গান, অভিনয়- যে কাজই হোক না কেন, তা যদি জনপ্রিয়তা এনে দেয়, তাহলে সেটি কাজের অনুপ্রেরণা জোগায়। সেই সঙ্গে বাড়িয়ে দেয় কাজের প্রতি দায়িত্ববোধ। এ জন্য ’সারেগামাপা’ আমাকে যে পরিচিতি এবং দর্শক-শ্রোতার ভালোবাসা এনে দিয়েছে, তা ধরে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। ভক্তদের প্রত্যাশা পূরণের মধ্য দিয়ে আরও অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে। সে লক্ষ্যেই আমাকে গাইতে হবে নতুন গান এবং সঙ্গীতের নানা আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে- এটাই আমি মনে করি।

আজকের অবস্থান নিয়ে কখনও ভেবেছিলেন?

’সারেগামাপা’তে অংশ নেওয়ার পর কী হবে, কতদূর যেতে পারব, আমার গায়কি ক’জনের ভালো লাগবে, শিল্পী হিসেবে কোনো অবস্থান তৈরি হবে কিনা- তা নিয়ে সত্যিই ভাবিনি। প্রতিযোগিতায় নিজের সেরা গায়কি তুলে ধরব- এটাই ছিল লক্ষ্য। তাই বলে কোনো স্বপ্ন ছিল না তা নয়। এখনও আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখি। নিজের সেরা গায়কি আর দর্শক-শ্রোতার প্রত্যাশা পূরণের মধ্য দিয়েই এই স্বপ্ন সত্যি করা সম্ভব বলেই মনে করি।

’সারেগামাপা’র বিচারকদের প্রশংসায় সিক্ত হয়েছেন। তারা কি আপনাকে নিয়ে কাজ করার কথা কখনও বলেছেন?

সঙ্গীত পরিচালক এবং ’সারেগামাপা’র বিচারক শান্তনু মৈত্র একটা গান কম্পোজ করেছেন। সেটা আমার ও মোনালি ঠাকুরের দ্বৈত কণ্ঠে রেকর্ড করবেন বলে শুনেছি। কিন্তু এ নিয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনো কথা হয়নি। যারা এই রিয়েলিটি শোর বিচারক, তা সবাই বড় মাপের শিল্পী ও সঙ্গীত পরিচালক। তাদের সঙ্গে কাজ করতে পারা যে কোনো প্রতিযোগীর জন্যই আনন্দের বিষয়।

ক’দিন আগে অনুপম রায়ের সুরে কলকাতার ’ভিঞ্চি দা’ ছবিতে প্লেব্যাক করলেন। কেমন ছিল সে অভিজ্ঞতা?

অনুপম রায় ভারতের অসম্ভব জনপ্রিয় শিল্পী। সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার। এমন একজন বড় মাপের সুরকারের সঙ্গে কাজ করছি- এটা ভুলেও মনে হয়নি। গান রেকর্ডিংয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তার আচরণ ছিল কলেজের বড় ভাইয়ের মতো, যেন আমরা একে অপরের অনেক দিনের চেনা। এ কারণেই ’তোমার মনের ভেতর’ গানটি রেকর্ড করার সময় বিন্দুমাত্র নার্ভাস লাগেনি।

গান নিয়ে ভবিষ্যৎ ভাবনা কী?

আমাকে গাইতে হবে, বেঁচে থাকতে হবে গানের মাধ্যমে। এ জন্য সবার সামনে তুলে ধরতে হবে নিজের সেরা গায়কি, তাই গান গাওয়া ছাড়া আলাদা করে কিছু ভাবি না।

Facebook Comments

" বিনোদন " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ

Web Hosting and Linux/Windows VPS in USA, UK and Germany

Visitor Today : 92

Unique Visitor : 75866
Total PageView : 94052