Foto

খালেদা জিয়ার গৃহকর্মীর বাবাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সংবাদ প্রচার: রিজভী


বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গৃহকর্মী ফাতেমা বেগমের বাবাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, আমরা খোঁজখবর নিয়ে জেনেছি, ফাতেমা বেগমের বাবাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে, ভয়ভীতি দেখিয়ে ম্যানেজ করে এই সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।


রিজভী বলেন, ফাতেমার পরিবারকে তার প্রাপ্য ছাড়াও অগ্রিম টাকা দেয়া হয়েছে। ফাতেমা আদালতের নির্দেশনায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে আছে। তার হাঁটা-চলাতে অসুবিধা হয়। তার একজন সাহায্যকারী দরকার হয়। সেই বিবেচনায় ফাতেমা তার সঙ্গে আছেন। এটাও এখন "হিংসুক" সরকারের সহ্য হচ্ছে না।

সরকার নিজেদের প্রপাগান্ডা মিডিয়ায় এই নিয়ে গল্প তৈরী করছে বলে দাবি করে বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকারী হুমকির মুখে নানাজনকে নানা কথা বলতে বাধ্য করছে। আজ সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে, ফাতেমার মা বলেছেন তিনি মাসে মাসে টাকা পান। তা তিনি নিজেই নিয়ে আসেন। অথচ ফাতেমাকে নিয়ে সরকার জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।

রিজভী বলেন, আসলে ফাতেমাকে নিয়ে দু"তিনটি "দলদাস" মিডিয়া যে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে সেটির উদ্দেশ্যই হচ্ছে প্যারোল নিয়ে তাদের মিশন সফল হয়নি। এজন্যই ওই মিডিয়াগুলো সরকারের নির্দেশে এ ধরণের নোংরা খেলায় মেতেছে। আমরা সতর্ক করতে চাই, এই দলদাস মিথ্যাবাদী মিডিয়াগুলোকে, তারা যেন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে মিথ্যা গল্প রচনা বন্ধ করে।

সৎ সাহস থাকলে তারেক রহমান দেশে ফিরতেন- তথ্যমন্ত্রী এই বক্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তিনি আইনগতভাবে জামিনে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে আছেন। এখনও সুস্থ নন, তার চিকিৎসা চলমান রয়েছে। ন্যায় বিচার করার জন্য বিচারককে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে। এটিতেই সুষ্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, দেশে ন্যায়বিচার নয়, আওয়ামী বিচারই শেষ কথা। তথ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে রিজভী অভিযোগ, আপনাদের সৎ সাহস থাকলে মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিয়ে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন দিন। নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে নির্বাচনে প্রতিযোগিতা করুন, তখন বোঝা যাবে আপনাদের সৎ সাহস কতটুকু। তারেক রহমান বিদেশে থাকলেও দেশের গণতন্ত্র মুক্তি আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সুস্থ হলেই দেশে ফিরে আসবেন তিনি।

Facebook Comments

" রাজনীতি " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ