Foto

গ্যাসের তাপে অর্থনীতি


গ্যাসের দাম বাড়ানোয় দেশের সার্বিক অর্থনীতি চাপের মুখে পড়তে যাচ্ছে। বাড়তি দামের কারণে অর্থনীতির মৌলিক উপকরণগুলোর সব খাতে খরচ বৃদ্ধি পাবে। অর্থনীতির মৌলিক উপকরণগুলোর মধ্যে গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি কমপক্ষে ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ প্রভাবিত করে। এতেই বাড়বে জীবনযাত্রার ব্যয়। এর প্রভাবে উসকে যাবে মূল্যস্ফীতির হার, যা দেশের অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলবে।


সোমবার গ্যাসের দাম ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এতে সরাসরি প্রভাব পড়বে বিদ্যুৎ, পরিবহন এবং সার উৎপাদন ব্যয়ে। গ্যাস দিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যাবে। গ্যাস ও বিদ্যুতের কারণে পরিবহন, কৃষি, শিল্প, সেবাসহ প্রায় সব খাতে খরচ বাড়বে।
জনগণের মাথাপিছু খরচ ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী। তিনি সরকারের এ সিদ্ধান্ত পুরোপুরি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন, এতে নিত্যপণ্য, যাতায়াত, বাড়ি ভাড়া থেকে শুরু করে সবকিছুর খরচ বাড়বে।

ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলম যুগান্তরকে বলেন, গ্যাসের দাম বাড়ানোর কারণে পরিবহন, বিদ্যুৎ, পণ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে সব খাতে ব্যয় বাড়বে। এই বাড়তি ব্যয়ের প্রতিটি অর্থ ব্যবসায়ীরা জনগণের কাছ থেকেই আদায় করবে। ফলে শেষ পর্যন্ত গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির খেসারত সাধারণ মানুষকেই দিতে হবে।

দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম বাড়িয়ে গ্যাসের বাড়তি খরচ উঠাবেন। সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে গ্যাসের বাড়তি দাম সমন্বয় করবে। পরিবহন ব্যবসায়ীরা ভাড়া বাড়িয়ে বাড়তি খরচ মেটাবেন। কিছুই করার নেই শুধু জনগণের। তাদের মুখ বুজে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির চাপ সহ্য করতে হবে।
১০ বছরে গ্যাসের দাম বেড়েছে ৭ দফা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ক্যাপটিভ পাওয়ারের দাম। ৮ টাকা ৯৮ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৩ টাকা ৮৫ পয়সা। যানবাহনে ব্যবহৃত সিএনজির দামও বেড়েছে অনেক। গৃহকর্মে ব্যবহৃত চুলার গ্যাসের দামও বেড়েছে।

২০০৮ সালের এপ্রিলে প্রতি ঘনমিটার সিএনজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৬ টাকা ৭৫ পয়সা। দফায় দফায় বাড়ার পর ২০১৭ সালে ছিল ৩৮ টাকা। এখন তা আরও বেড়ে হয়েছে ৪৩ টাকা। এর প্রভাবে ইতিমধ্যে টেম্পো, লেগুনার ভাড়া বেড়ে গেছে। অন্যান্য গণপরিবহনের ভাড়াও বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে। জানা গেছে, প্রতি কেজি সুতা উৎপাদনে এখন জ্বালানি খরচ ১৯ সেন্ট অর্থাৎ ১৬ টাকা ১৫ পয়সা। জ্বালানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় এই পরিমাণ সুতা উৎপাদনে জ্বালানি খরচ হবে ২৮ সেন্ট অর্থাৎ ২৩ টাকা ৮০ পয়সা। প্রতি টন রড উৎপাদনে এতদিন জ্বালানি খরচ হতো ৭ হাজার টাকা। গ্যাসের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় খরচ হবে ৯ হাজার ২০০ টাকা।

সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া আগে প্রতি কিলোমিটার ১২ টাকা ছিল। সিএনজি মালিক সমিতি তাদের এই ভাড়া প্রতি কিলোমিটার ৩ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করবে সরকারের কাছে। একই সঙ্গে গণপরিবহনে প্রতি কিলোমিটার বাসের ভাড়া ১ টাকা ৭০ পয়সা। এই ভাড়া ১ টাকা ৮৫ পয়সা করার প্রস্তাব করার চিন্তাভাবনা করছে বাস মালিক সমিতি। একইভাবে মিনিবাসের ভাড়াও কিলোমিটারপ্রতি ১ টাকা ৭৫ পয়সা করার প্রস্তাব করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। শিল্প খাতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়বে রফতানি খাত। রফতানিযোগ্য পণ্যের উৎপাদন খরচ বেড়ে গিয়ে প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। দেশে উৎপাদন খরচ বাড়লে বাজার পেয়ে যেতে পারে আমদানি পণ্য।

বিদেশি সুতার সঙ্গে লড়াই চলছে দেশের বস্ত্রকল ও সুতা কলগুলোর। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) নেতৃবৃন্দ মনে করেন, ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ হারে গ্যাসের দাম বাড়ানোর কারণে উৎপাদন খরচ বাড়বে অনেক, যা দিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হবে। এ কারণে অনেক বস্ত্রকল বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

তারা বলেন, বর্তমানে প্রতি কেজি সুতা উৎপাদনে গ্যাসের মূল্য বাবদ প্রায় দশমিক ১৯ সেন্ট (১৬ টাকা ১৫ পয়সা) খরচ হয়। নতুন করে গ্যাসের দাম বাড়ানোয় এ ব্যয় বেড়ে দশমিক ২৮ সেন্টের (২৩ টাকা ৮০ পয়সা) কাছাকাছি দাঁড়াবে। কিন্তু বর্তমানে সুতা উৎপাদনের যে খরচ, সেটাই উঠছে না। বিদেশি সুতার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা যাচ্ছে না।

ইস্পাত খাতের উৎপাদনে গ্যাস-বিদ্যুতের ব্যবহার অনেক বেশি। ব্যবসায়ীদের হিসাবে এক টন রড উৎপাদনে প্রায় সাত হাজার টাকা ব্যয় হয় জ্বালানির পেছনে। নতুন করে দাম বাড়ানোয় রড উৎপাদনে ব্যয় আরও ২ হাজার ৩০০ টাকার মতো বাড়তে পারে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ অটো রিরোলিং অ্যান্ড স্টিল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের এক নেতা বলেন, আগামী দিনগুলোয় ক্রেতার ওপর বাড়তি চাপ আসতে পারে। কারণ গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে, সামনে বিদ্যুতের দামও বাড়তে পারে। ডলারের দামও বাড়ছে। নতুন মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আইন কার্যকর হওয়ায় করের চাপও বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে শিল্প, সেবাসহ সব খাতে বাড়তি খরচ করতে হবে ভোক্তাদের। গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল ও পানিকে বলা হয় অর্থনীতির লাইফলাইন। একই সঙ্গে একটি অপরটি সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে গ্যাসের দামের প্রভাব সব খাতে পড়বে। মোট গ্যাসের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে, অর্থাৎ ৪১ শতাংশ। ফলে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ বাড়বে। এতে সরকারকে হয় বিদ্যুতের দাম বাড়াতে হবে, নয়তো ভর্তুতি দিতে হবে। যে পদক্ষেপই নেয়া হোক, তাতে ভোক্তাদের ওপর চাপ বাড়াবে।

সারে ব্যবহৃত হয় ৭ শতাংশ গ্যাস। ফলে সারের উৎপাদন খরচ বাড়বে। শিল্প খাতে ব্যবহৃত হয় ১৮ শতাংশ গ্যাস। ফলে শিল্পপণ্যের দাম বাড়বে। এর বেশির ভাগই ব্যবহার করে বেসরকারি খাতে। ফলে তারা পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়ার সঙ্গে পণ্যের দামও বাড়িয়ে দেবে।

দেশে এখন দৈনিক মোট গ্যাস সরবরাহ প্রায় ৩২০ কোটি ঘনফুট, যার ৪০ শতাংশই বিদ্যুৎ খাতে ব্যবহৃত হয়। গ্যাসের দাম বাড়নোর কারণে স্বাভাবিকভাবেই বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর দাবি তুলবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। পিডিবির একজন কর্মকর্তা বলেন, গ্যাসের নতুন হার কার্যকর হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ৩৭ শতাংশ বাড়তে পারে।

বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন ভোজ্য তেল ও চিনির কাঙ্ক্ষিত মূল্য হিসাব করতে একটি ব্যয় বিবরণী অনুসরণ করে। সেখানে দেখা যায়, প্রতি কেজি চিনি উৎপাদনে গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য বাবদ ব্যয় ৫০ পয়সা। তেলের ক্ষেত্রে তা ৬০ পয়সা। গ্যাসের দাম বাড়ানোয় এর প্রভাব তেল-চিনির ওপর পড়বে।

ভোগ্যপণ্য উৎপাদনকারী একটি কোম্পানির এক শীর্ষ কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ’আমরা তেল, চিনি, আটা, ময়দা, সুজি, পোলট্রি খাদ্যপণ্য উৎপাদন করি। সবক্ষেত্রেই প্রচুর গ্যাস-বিদ্যুৎ লাগে। দাম বাড়ানোর কারণে স্বাভাবিকভাবেই এসব পণ্যের উৎপাদন খরচের ওপরও একটা বড় প্রভাব পড়বে।

বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভারশন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, এবারের গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবটি ছিল গলদে ভরা। এলএনজি আমদানি করে দেশীয় গ্যাসের সঙ্গে মেশানোর আগে দাম পড়ে প্রতি ঘনমিটার ৩০ টাকা। অথচ দাম বাড়ানোর আগেই প্রতি ঘনমিটার সিএনজির দাম ছিল ৪০ টাকা। ১ জুলাই থেকে এটি বেড়ে হয়েছে ৪৩ টাকা। ওই কর্মকর্তা বলেন, প্রতি ঘনমিটারে ৩ টাকা বাড়ানোর কারণে গোটা পরিবহন সেক্টর অস্থির হয়ে উঠবে। ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া : ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই’র সহসভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে শিল্পের প্রতিযোগী সক্ষমতা কমবে। বিশেষ করে তৈরি পোশাকের পশ্চাৎপদ শিল্প যেমন- টেক্সটাইল, স্পিনিং মিলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তখন তৈরি পোশাকের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিকভাবে রফতানি খাত বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। একবারে এত দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত শিল্পের জন্য ভালো হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ঘন ঘন গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে আসতে চাইছেন না। শিল্পের জন্য জ্বালানি নীতি প্রণয়ন করা দরকার। যাতে আগামী ১০ বছরে শিল্পের দাম কত বাড়বে, তা উল্লেখ করা হবে। তখন উদ্যোক্তারা ওই নীতির ভিত্তিতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হবেন।

বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি শিল্পের উৎপাদন ব্যয় বাড়াবে। এমনিতে কারখানায় গ্যাসের সঠিক চাপ পাওয়া যাচ্ছে না। চাপের তারতম্যের কারণে যন্ত্রপাতিতে সমস্যা হচ্ছে। এ অবস্থায় গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ হারাবে।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সচিব মনসুর আহমেদ বলেন, ক্যাপটিভ পাওয়ারে ব্যবহৃত প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ছিল ৯ টাকা ৬২ পয়সা, এটি ৪৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এতে বাজেটে টেক্সটাইল শিল্পকে যে সুবিধা দেয়া হয়েছে, শিল্প তার সুফল পাবে না। কারণ শিল্পের উৎপাদন ব্যয় বাড়বে।

এক কেজি সুতা উৎপাদনে যেখানে জ্বালানি খরচ হতো ১৬ টাকা ১৫ পয়সা, এখন গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সেখানে জ্বালানির খরচ হবে ২৩ টাকা ৮০ পয়সা। অর্থাৎ এক কেজি সুতার উৎপাদনে জ্বালানি খরচ বাড়বে প্রায় ৮ টাকা। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে স্পিনিং মিলগুলো বন্ডের সুতার সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে ধুঁকছে। উদ্যোক্তারা লোকসানে সুতা বিক্রি করছে। এ অবস্থায় গ্যাসের দাম বাড়ানোয় উদ্যোক্তাদের লোকসানের পাল্লা আরও ভারী হবে, প্রতি কেজি সুতায় লোকসান দাঁড়াবে ২৪-২৫ টাকা। শুধু গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কারণে অনেক স্পিনিং মিল বন্ধ হয়ে যাবে।

গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব তুলছেন মালিকরা : সিএনজির দাম বাড়ানোর কারণে এবার গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব তুলতে যাচ্ছেন বাস ও সিএনজি মালিকরা। বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটার ১ টাকা ৭০ পয়সার স্থলে ১৫ পয়সা বাড়িয়ে ১ টাকা ৮৫ পয়সা করতে চান মালিকরা।

পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, রাজধানী ও আশপাশের জেলাগুলোয় চলাচলকারী বেশির ভাগ বাস ও মিনিবাস সিএনজিতে চলে। এসব বাস ও মিনিবাসের ভাড়া সর্বশেষ ২০১৫ সালে বেড়েছিল।

জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিকশা ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি বরকত উল্লাহ ভুলু বলেন, গ্যাসের দাম বাড়ানোর কারণে চালকের খরচ বেড়ে গেছে। প্রতিদিন প্রায় একশ’ টাকার বেশি গ্যাস লাগছে। অতিরিক্ত এই ব্যয় সমন্বয় করার জন্য সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব দেয়া হবে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি ও ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রুস্তম আলী খান বলেন, গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রভাব পরিবহন খাতে অবশ্যই পড়বে। তিনি বলেন ট্র্যাকের ভাড়া ১০ শতাংশের মতো বাড়তে পারে।

এ ব্যাপারে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে কার্ভার একটি কাভার্ড ভ্যানের একবারের ভাড়া ১২ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা। আর যখন চাহিদা বেশি থাকে, তখন ২৫ হাজার টাকাও নেয়া হয়।

Facebook Comments

" বিশ্ব অর্থনীতি " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ