Foto

ধাওয়ানে ধরা খেল কলকাতা


১৭৮ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১০৫ রানের বড় ইনিংস হলে জয়ের জন্য কি আর মাথা কুটতে হয়! করতে হলোও না দিল্লি ক্যাপিটালসকে। ইডেন গার্ডেনে নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ৭ উইকেটের আয়েশি জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে তারা। ৭ বল বাকি থাকতেই ৩ উইকেট হারিয়ে পৌঁছে যায় জয়ের দরজায়। এতে দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলার পর নিজের ঘর ইডেনেও দিল্লির কাছে হারল কলকাতা।


মূলত শিখর ধাওয়ানের কাছেই ধরা খেয়েছে নাইটরা। ৬৩ বলে ৯৭ রান করে অপরাজিত ছিলেন দিল্লির এই ওপেনার। এর পরেই আসবে ধাওয়ান ও ঋষভ পন্থের ৬৯ বলে ১০৫ রানের জুটির গল্প। ৫.৪ ওভারে দলীয় ৫৭ রানে শ্রেয়াস আয়ার ফিরে গেলে এই জুটি গেড়ে বসে শাহরুখ খানের বোলারদের ওপর। ২ উইকেট হারিয়ে ৫৭ রানের ইনিংসটা এক জুটির ওপর ভর করে পৌঁছে যায় ১৭ ওভারে ১৬২। ৩১ বলে ৪৬ রান করে পন্থ ফিরে গেলে কলিন ইনগ্রামকে নিয়ে বাকি কাজটা করেন ধাওয়ান। ৯৭ রানে ধাওয়ান আর ৬ বলে ১৪ রানে অপরাজিত ছিলেন ইনগ্রাম।

এর আগে ইডেন গার্ডেনে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রান সংগ্রহ করে কলকাতা। কলকাতাকে লড়াই করার মতো ভালো পুঁজি এনে দেয় রাসেলের বিধ্বংসী ব্যাটিং ও শুভমান গিল। ২১ বল খেলে ৪৫ রান করেন রাসেল। আর হ্যাঁ, অবশ্যই চারের চেয়ে ছয় বেশি। তিনটি ৪–এর ইনিংসে ৬ চারটি। আর ৬৫ রান করতে ৩৯ বল খেলেন নাইট ওপেনার গিল।

ইডেনে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খেয়েছিল কলকাতা। ইনিংসের প্রথম ওভারে ইশান্ত শর্মার প্রথম বলেই সাজঘরে ফেরেন জো ডেনলি। এরপরে শুভমান গিল বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে নেন দলকে। মাঝে ২৮ বলে ৩০ রান করে সঙ্গ দেন রবি উথাপ্পা।

পাঁচ নম্বরে রাসেল খেলেছেন নিজের মতোই। রাসেল যখন ক্রিজে আসেন, নাইটদের স্কোরবোর্ডে ১২.৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৯৩ রান। টি–টোয়েন্টির যুগে এ আর এমন কী! শেষ পর্যন্ত রাসেলের বদৌলতে স্কোরটা গড়াল ১৭৮। অর্থাৎ প্রথম ৭৬ বলে যেখানে রান এসেছে ৯৩, সেখানে রাসেল ক্রিজে আসার পরে বাকি ৮৫ রান ৪৪ বলে। তবে এই পরিসংখ্যান রাসেলের গুরুত্ব বোঝানোর জন্য যথেষ্ট নয়। কারণ, ১৮.২ ওভারে দলীয় ১৬১ রানে মরিচের বলে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান রাসেল। অর্থাৎ তিনি আউট হওয়ার পরে শেষ ১০ বলে রান এসেছে ১৭। এই পরিসংখ্যানেই বোঝা যাচ্ছে রাসেলের গুরুত্ব। শেষ দিকে ৬ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন পীযূষ চাওলা। দিল্লির পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন কাগিসো রাবাদা, কেমো পল আর ক্রিস মরিস।

এই জয়ে ৭ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থ স্থানে দিল্লি। সমানসংখ্যক ম্যাচে কেকেআরের পয়েন্ট ও ৮। তবে রান রেটের বিচারে তারা আছে দ্বিতীয় স্থানে।

 

Facebook Comments

" ক্রিকেট নিউজ " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ