Foto

নদ-নদীর পানি ৬৮টি পয়েন্টে বৃদ্ধি


ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ৬৮টি পয়েন্টে বেড়েছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের ৯৩টি পানি সমতল স্টেশনের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, আজ সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা, কুশিয়ারা, মনু, ধলাই, খোয়াই, পুরাতন সুরমা, সোমেশ্বরী, কংস, ধরলা, তিস্তা, ঘাগট, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও সাঙ্গু এই ১৪টি নদীর পানি ২৬টি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ৬৮টি পয়েন্টে বৃদ্ধি ও ২২টি পয়েণ্টে হ্রাস পেয়েছে। রবিবার ১৪টি নদীর ২৫টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।


Hostens.com - A home for your website

বাংলাদেশ ও ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং তৎসংলগ্ন ভারতের আসাম ও মেঘালয় প্রদেশসমূহের বিস্তৃত এলাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় মাঝারী থেকে ভারী এবং কোথাও কোথাও অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল সংলগ্ন ভারতের বিহার এবং নেপালে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

নদ-নদীর পরিস্থিতি সম্পর্কে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীরণ কেন্দ্রের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ জানানো হয়েছে, পানির অবস্থান একটি পয়েন্টে অপরিবর্তিত রয়েছে এবং ১টি পয়েন্টের কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সুরমা ও কুশিয়ারা ছাড়া দেশের সকল প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, গঙ্গা ও পদ্মা নদীসমূহের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টায় ধলেশ্বরী নদী এলাশিন পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ও রংপুর বিভাগের সুরমা, কুশিয়ারা, কংস, সোমেশ্বরী, ধরলাসহ প্রধান নদীসমূহের পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। এ ছাড়া আগামী ২৪ ঘণ্টায় কুড়িগ্রাম, জামালপুর, গাইবান্ধা, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। অপরদিকে, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলায় বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

সোমবার সকাল ৯টা থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেওয়ানগঞ্জ স্টেশন এলাকায় ১৫০ মিলিমিটার, দুর্গাপুরে ১৩৫ মিলিমিটার, নাকুয়াগাঁওয়ে ১৩০ মিলিমিটার, ভৈরব বাজারে ১৩০ মিলিমিটার, নরসিংদীতে ১০৯ মিলিমিটার, কমলগঞ্জে ১০৩ মিলিমিটার, গাইবান্ধায় ৯৬ মিলিমিটার, জামালপুরে ৯২ মিলিমিটার এবং জাফলংয়ে ৯১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

বন্যা পুনর্বাসনে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বন্যা উপদ্রুত এলাকায় পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী পাঠানো হয়েছে এবং বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিংয়ে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে জেলা পর্যায়ে মেডিকেল টিম এবং জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে ত্রাণ কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে।

Facebook Comments

" জাতীয় খবর " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ

Web Hosting and Linux/Windows VPS in USA, UK and Germany

Visitor Today : 115

Unique Visitor : 75889
Total PageView : 94065