Foto

যখন আপনি ফার্স্ট ট্রাভেলার


ভ্রমণ অথবা কাজ যেকোনো কাজে আপনাকে দেশের বাহিরে যেতে হতেই পারে। আচ্ছা আপনি যখন প্রথমবার দেশের বাইরে বেড়াতে যাচ্ছেন, তখন কোথায় যাবেন, কোথায় থাকবেন, কী কী দেখবেন, তা নিশ্চয় প্ল্যান করা হয়ে গেছে। তবে অতি উৎসাহের বশে কয়েকটা খুঁটিনাটি বিষয় ভুলে যাবেন না যেন! তাই আসুন আজ সেগুলো কি তা একবার দেখে নিন।


Hostens.com - A home for your website

আপনি যখন দেশের বাহিরে যাবেন তখন বিদেশ-বিভুঁইয়ে অঘটন তো হতেই পারে। আগে থেকেই পাসপোর্টসহ সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ নথির একাধিক ফটোকপি করে রাখুন। সেগুলোর সফট আর হার্ড কপি সঙ্গে রাখুন।

হার্ড কপিগুলো একাধিক ব্যাগে রাখাটাই উচিত। তাতে কোনো একটা ব্যাগ হারিয়ে গেলেও বিদেশে গিয়ে বিপাকে না পড়তে হয়।

অনেকেই এয়ারপোর্টে মানি এক্সচেঞ্জ করেন। খুব জরুরি না হলে এমনটা ভুলেও করতে যাবেন না। কারণ, এয়ারপোর্টে সবচেয়ে কম এক্সচেঞ্জ রেট পাওয়া যায়।

বিদেশ ভ্রমণের জন্য যে বাজেট রয়েছে আপনার, তার থেকে ১৫-২০ শতাংশ কারেন্সিতে সঙ্গে রাখুন। আর বাদবাকিটা মেটাতে ট্র্যাভেলার্স চেক বা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করুন।

বিদেশে বেড়াতে গিয়ে একগাদা জুতো বা জামাকাপড় বয়ে বেড়াবেন না। যতটা সম্ভব আপনার লাগেজের ভার কমান। এমন জুতো বা জামা-কাপড়ই সঙ্গে নিন, যা একাধিকবার পরলেও মানানসই মনে হয়। তাছাড়া, সঙ্গে রাখুন হাল্কা, আরামদায়ক জুতো।

ট্র্যাভেল বইয়ের পরামর্শ মেনে ঘুরতে যাবেন না। সমস্ত জায়গায় ঘুরতেই হবে, আপনাকে এমন মাথার দিব্যি কেউ দেয়নি। বরং ছুটি কাটাতে গিয়ে একটু রিল্যাক্সও করুন। এতে ছুটি আনন্দ বাড়বে বই কমবে না।

ওভার বাজেট হওয়া বরং ভালো। তবে বিদেশ ভ্রমণের জন্য একেবারে টাইট বাজেট মেনে চলবেন না। ফরেন ট্রিপে গিয়ে ক্যাশলেস হয়ে যাওয়টা কিন্তু বেশ বিপত্তির ব্যাপার হতে পারে। ফলে বাজেটের বাইরেও খরচের চিন্তা করে সঙ্গে রাখুন খানিকটা বেশি ক্যাশ।

এছাড়াও যা করণীয় :

১. ব্যাকপ্যাক বনাম স্যুটকেস : না! এটা যুগ-বাহিত বিতর্ক নয়! যদি আপনি ৬ মাসের বেশি সময়ের জন্য বেড়াতে যান তাহলে ব্যাকপ্যাক ও স্যুটকেস আপনাকে অভিনবভাবে সাহায্য করবে। প্রয়োজনীয় কাপড়গুলো গুছিয়ে নিন মনের মত করে।

২. সুস্থতা নিশ্চিতকরণ : ঘুরতে যাবার আগে আপনার সু-স্বাস্থ্য নিশ্চিত করুন। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

৩. আপনার যাত্রাস্থান সম্পর্কে জানুন : যেখানে যাচ্ছেন সেখানকার স্থানীয় আবহাওয়া, সংস্কৃতি, ও পরিবহণ সম্পর্কিত সকল তথ্য জেনে নিন। স্থানীয় রীতিনীতি, রক্ষণশীলতা সম্পর্কেও জেনে নিন আগেভাগেই।

৪. যোগাযোগ নিশ্চিত করুন : বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের সাথে ভিডিও চ্যাটে যাতে কথা বলতে পারেন তার জন্য স্কাইপ বা ওই টাইপ এ্যপস একাউন্ট সেটআপ করুন।

৫. খাদ্যাভ্যাস : আপনি যেখানে যাবেন সেখানকার প্রসিদ্ধ খাবার খেতে পারেন। কিন্তু তা হতে পারে বেশ ব্যয়বহুল। তাই আপনাকে ফল, রুটি, পনির এসব খাওয়ার অভ্যাস রাখতে হবে। যা সময়ে আপনার অনেক কাজে আসে।

Facebook Comments

" ভ্রমণ ও প্রকৃতি " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ

Web Hosting and Linux/Windows VPS in USA, UK and Germany

Visitor Today : 564

Unique Visitor : 76332
Total PageView : 94384