Foto

রইল বাকি বার্সেলোনা


শেষ ছয়টি চ্যাম্পিয়নস লিগের পাঁচটি শিরোপা গেছে স্পেনে। রিয়াল মাদ্রিদ জিতেছে চারটি। বার্সা একটি। তার আগের দুটি বায়ার্ন-চেলসির ঘরে ওঠে। অথচ এবার শেষ ষোলোর মধ্যেই চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেবারিট স্পেনের তিনটি দল (রিয়াল, অ্যাথলেটিকো, ভ্যালেন্সিয়া) বিদায় নিয়েছে। টিকে আছে কেবল বার্সেলোনা। দুর্দান্ত কিছু করে ফ্রান্স ক্লাব লিঁও তাদেরকেও বিদায় করে দেয় কিনা সেটাই এখন দেখার পালা।


এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগ মানেই তো ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। প্রথম লেগে এগিয়ে থাকা টটেনহ্যাম এবং ম্যানসিটি কেবল কোয়ার্টার ফাইনালে জেতে পেরেছে। বাকি চারদল প্রথম লেগে হেরেও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ আটে গেছে। আয়াক্স হারিয়েছে রিয়ালকে। রোমার বিপক্ষে পোর্ত ঘুরে দাঁড়িয়েছে। পিএসজিকে হারিয়েছে ম্যানইউ। রোনালদোরা বিদায় করেছে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদকে। বার্সেলোনা-লিঁও এবং বায়ার্ন-লিভারপুলের কপালে কি লেখা আছে কে জানে। দু’দলই প্রথম লেগে গোল শূন্য ড্র করেছে।

বার্সেলোনা অবশ্য ঘুরে দাঁড়ানোর এই গল্প দেখে সতর্ক। অতীতও আশা দিচ্ছে তাদের। বার্সা তাদের মাঠে শেষ নয়টি চ্যাম্পিয়নস লিগ ম্যাচের ছয়টিতে গোল খায়নি। এই আসরে শেষ আটটি হোম ম্যাচের সাতটিতে জিতেছে আর্নেস্তো ভালভার্দের শিষ্যরা। শেষ তিন ম্যাচেও জয়। যার দুটি এল ক্লাসিকোয়। এত কিছুর পরও বেশ সতর্ক স্বাগতিকরা। যদি পা হড়কে যায়!

রিয়াল, পিএসজি, রোমা কিংবা অ্যাথলেটিকোর পা হড়কেছে। এটাই শুধু চিন্তার কারণ। তাই নিশ্চিন্তে নাক ডাকার সুযোগ নেই বার্সার। কোচ ভালভার্দেও তেমন কথাই যেন মনে করিয়ে দিলেন ছাত্রদের, ’প্রথম লেগে ড্র হওয়ায় একটু কঠিন হয়ে গেল। আজ (বুধবার রাত দুইটা) যে কোনো কিছু হতে পারে। তারা সুযোগ নিতে মুখিয়ে আছে। তবে আমরা আত্মবিশ্বাসী।’

সংখ্যাতত্ত্বও বার্সেলোনার পক্ষে। ২০০৯ সালে লিঁওর মাঠে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে প্রথম লেগে ১-১ গোলে ড্র করে ফেরে বার্সা। ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে পেয়ে লিঁওকে ৫-২ গোলে উড়িয়ে দেয় কাতালানরা। সে ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন থিয়েরি ওঁরি। এই বার্সার মেসি, সুয়ারেজ, কুতিনহোদের সেই সামর্থ্য আছে। কোচ অবশ্য এ ম্যাচে উসমান ডেম্বেলেকে পাচ্ছেন না। সেক্ষেত্রে ম্যালকমকে প্রথম একাদশে দেখলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। অন্য ম্যাচে বায়ার্ন-লিভারপুলের দিকেও চোখ থাকবে ফুটবল প্রেমিদের।

Facebook Comments

" ফুটবল সংবাদ " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ